Tuesday, May 12, 2020

এশিয়া ( Asia)

এশিয়া ( Asia)

কাদের জন্য প্রয়োজনীয়: বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা ।

ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ডের সপ্তম শ্রেণির জন্য

আজকের পড়ানো শুরু করার আগে তোমাদের কাছে কয়েকটি প্রশ্ন করব।

বলতো

পৃথিবীর ছাদ কোন মালভূমিকে বলে ?
আমাদের স্থলভাগের উচ্চতম অংশের নাম কি ?
পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ সমভূমি কাকে বলে ?
অথবা পৃথিবীর বৃহত্তম বনভূমির নাম কি? 

এগুলোর উত্তর তোমাদের জানা থাকলে ব্লগের কমেন্ট সেকশনে উত্তর গুলো লিখে পাঠাও ।
এই প্রশ্ন গুলোর মধ্যে একটা কমনব্যাপার হল এইগুলো সবই এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।


Asia Tutorial for students
Asia
আমরা যদি পৃথিবীর মোট স্থলভাগকে তিনটি ভাগে ভাগ করি তাহলে সেই স্থল ভাগের এক ভাগ জুড়ে রয়েছে এই এশিয়া মহাদেশ ।এই মহাদেশের আয়তন এতই বড় যে যদি চারটে  ইউরোপ মহাদেশ একসঙ্গে মিলিয়ে দাও অথবা দেরখানা আফ্রিকা মহাদেশ একসঙ্গে জুড়ে দাও তাহলে যে আয়তন হবে সেই আয়তনই হল এশিয়া মহাদেশের আয়তন ।
স্বাভাবিকভাবেই এই মহাদেশের কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে  ।
যেমন এই মহাদেশে রয়েছে সুউচ্চ পর্বত শ্রেণী।
 বিশাল বিশাল মালভূমি আর বহুদূর প্রসারিত সমভূমি ও মরুভূমি এবং তার সঙ্গে রয়েছে বহু উর্বর নদী উপত্যকা এইজন্যই মহাদেশকে বলা হয় চরম বৈশিষ্ট্যের মহাদেশ।
এবার আমরা জেনে নেব এই এশিয়া মহাদেশের এশিয়া কথাটি কিভাবে উৎপত্তি হয়েছিল।




  • এই এশিয়া মহাদেশ  শব্দটা এসেছিল গ্রিক সভ্যতা থেকে।
  •  আবার কেউ কেউ বলেন এশিয়া শব্দটি এসেছিল ল্যাটিন সাহিত্য থেকে ।
  • আবার কোথাও একথাও বলা হয়েছে  যে রোমান সভ্যতা থেকে নাকি এই এশিয়া কথাটি উদ্ভব হয়েছিল যার অর্থ ছিল অস্থিরতা ।
  • বিখ্যাত ধ্রুপদী লেখক প্লিনির বইতেও এশিয়া শব্দটি আমরা দেখতে পাই ।
  • তবে এশিয়ার শব্দটা যেভাবেই উদ্ভব হোক না কেন এশিয়া মহাদেশের কতকগুলি গুরুত্ব রয়েছে যেমন ধরো পৃথিবীর থার্টি পার্সেন্ট লোক এই এশিয়া মহাদেশেই বসবাস করে সিল্করুট ,মালাক্কা প্রণালী, টোকিও ইয়োকোহামা শিল্পাঞ্চল আর একটু অন্যভাবে বলতে গেলে এশিয়া মহাদেশ কিন্তু হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ জৈন পারসিক শিখ কনফুসিয়াস প্রভৃতি বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষদের জন্মস্থান।

এবার এই মহাদেশের কিছু ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা বলি
যিশুখ্রিস্টের জন্মের 3500 থেকে 5000 বছর আগে এশিয়ার বড় বড় নদী গুলোর উপত্যাকায় অনেক নদীমাতৃক সভ্যতার জন্ম হয়েছিল ।
তোমরা হরপ্পা মহেঞ্জোদারো ও সিন্ধু সভ্যতার নাম তো অবশ্যই শুনেছো ।
সেগুলো কিন্তু এই মহাদেশের সিন্ধু নদের তীরে গড়ে উঠেছিল ।
তেমনি ধরো টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদী উপত্যকায় উন্নত মেসোপটেমিয়া সভ্যতার উদ্ভব হয়েছিল ।
বর্তমানে যেখানে তুরস্ক এবং ইরাক রয়েছে সেখানেও কিন্তু সুমের সভ্যতা গড়ে উঠেছিল ।
তাহলে তোমরা এশিয়া মহাদেশের কিছু হিস্টোরিক্যাল ইম্পর্টেন্স এর কথা শুনলে ।
Asia Tutorial for Students
Asia Latitude & Longitude

এবার আমরা জানবো এশিয়া মহাদেশে অবস্থান সম্পর্কে এই হলো আমাদের পৃথিবী ।এই পৃথিবীর মধ্যে যে সাতটি মহাদেশ রয়েছে তারই মধ্যে অন্যতম আমাদের এশিয়া মহাদেশ ।

যদি এর আমরা অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমা গত অবস্থান লক্ষ্য করি তাহলে আমরা দেখতে পাব এটি 1 ডিগ্রি 16 মিনিট দক্ষিণ অক্ষাংশ থেকে 77 ডিগ্রি 44 মিনিট উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত বৃস্তিত এবং 170 ডিগ্রি পশ্চিম দ্রাঘিমা থেকে 26 ডিগ্রী পূর্ব  দ্রাঘিমা পর্যন্ত বৃস্তিত । আমরা অবস্থান সম্পর্কে জানলাম এবার জানব এশিয়া মহাদেশের সীমা কত দূর বিস্তৃত অর্থাৎ এর সীমানা ।
এই মহাদেশের পূর্ব দিকে রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগর পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর কাস্পিয়ান সাগর উত্তর সুমেরু মহাসাগর ও দক্ষিণ ভারত মহাসাগর।

পৃথিবীর সবথেকে বড় এই মহাদেশের আয়তন 44 লক্ষ্য 57 হাজার 900 বর্গ কিলোমিটার।
এখানে আরেকটা জিনিস তোমরা মনে রাখবে সেটা হল এশিয়া মহাদেশর পশ্চিম দিকের সীমায় আরেকটি মহাদেশ শুরু হচ্ছে তার নাম ইউরোপ। এই দুই মহাদেশের মাঝে রয়েছে ইউরাল পর্বত এবং ইউরাল নদী।
 আবার এশিয়া ও আফ্রিকাকে আলাদা করেছে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল । 
পৃথিবীর বৃহত্তম এই এশিয়া মহাদেশের দেশের সংখ্যাও কিন্তু বেশি এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট 49টি দেশ রয়েছে । এসো এই দেশগুলোর নাম আমরা একবার চোখ বুলিয়ে নিই। এই দেশগুলো যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে এই দেশ গুলির কিছু বিখ্যাত বিখ্যাত শহর যেমন দিল্লি-কলকাতা বেজিং টোকিও করাচি লাহোর প্রভৃতি।
আর এই বৃহত্তম মহাদেশে মোট জনসংখ্যার পরিমাণ 4,560,667,108  যা প্রতি বর্গ কিলোমিটারে 100 জন লোক বাস করে।


এবার আমরা জানবো এশিয়া মহাদেশের কি রকম জলবায়ু রয়েছে তোমরা নিশ্চয়ই জানো কোন অঞ্চলের জলবায়ু পার্থক্যের কারণ প্রধানত হয়ে থাকে অক্ষরেখার অবস্থান উচ্চতার তারতম্য ,আর সেই অঞ্চলটি  সমুদ্র থেকে কত দূরে রয়েছে তার ওপর নির্ভর করে।
 এশিয়া মহাদেশ যেহেতু একটি বড় মহাদেশ এবং এই তিনটি বৈশিষ্ট্য চরম ভাবে থাকার কারণে এখানকার জলবায়ু কিন্তু বৈচিত্র ধরনের এখানে প্রধানত যে জলবায়ু গুলো  লক্ষ্য করা যায় সেগুলো হল নিরক্ষরেখা বরাবর প্রধানত নিরক্ষীয় জলবায়ু ,এছাড়া মৌসুমী জলবায়ু, আবার চীন জাপানে চীন দেশীয় জলবায়ু আবার এশিয়া মহাদেশের ভূমধ্যসাগরে পাশে যে সমস্ত দেশ যেমন তুরস্ক ইসরাইল প্রভৃতি দেশে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু লক্ষ করা যায়
আবার এশিয়া মহাদেশের একেবারে পশ্চিম দিকে যেখানে আরবের দেশগুলি রয়েছে এমনকি পাকিস্তান এবং ভারতের কিছু জায়গা উষ্ণ মরু জলবায়ু দেখা যায়। আবার এশিয়া মহাদেশের আরো উত্তরে সুমেরু বৃত্তের কাছাকাছি আমরা সাইবেরিয়া জলবায়ু দেখতে পাবো।
তাহলে এশিয়া মহাদেশের জলবায়ু সম্পর্কে আমরা জানলাম এর সঙ্গে আরেকটা বিষয় কিন্তু অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত  সেটা হলো 
স্বাভাবিক উদ্ভিদ যেমন ধরো আমি আগে বলেছি নিরক্ষীয় জলবায়ুর কথা।
এই জলবায়ু অঞ্চলে  যেসব উদ্ভিদ জন্মায়  তাকে নিরক্ষীয় স্বাভাবিক উদ্ভিদ বলবে ।নিরক্ষীয় অঞ্চলে আমরা জানি সারা বছর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে এখানে  চিরহরিৎ উদ্ভিদ জন্মায় ।এখানকার প্রধান প্রধান উদ্ভিদ গুলি হল রোজ উড আয়রন উড সেগুন রবার সিঙ্কোনা ।
মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলে চিরসবুজ ও পর্ণমোচী অরণ্য দেখা যায় । এখানকার প্রধান প্রধান উদ্ভিদ গুলি হল আম জাম মেহগিনি বাস শাল সেগুন বট শিশু।
ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে যে গাছ গুলো জন্মায় তা হল  জলপাই আঙ্গুর লেবু কর্ক অক ও অলিভ অয়েল । 
আবার মরু অঞ্চলে প্রধানত কাটা জাতীয় উদ্ভিদ জন্মায়  যেমন ধরো ক্যাকটাস ফনিমনসা ।
পরের ভিডিওতে এশিয়া মহাদেশের জলবায়ু ও স্বাভাবিক উদ্ভিদ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো এর জন্য এডুটেক টিউটোরিয়াল চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখবে ।

আজকের এই ভিডিওতে আমি এশিয়া মহাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো না শুধু জানার জন্য কয়েকটা পর্বত এবং মালভূমির নাম জেনে নেব

যেমন পর্বত শ্রেনীর মধ্যে হিমালয় পর্বত শ্রেণী যার প্রধান শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট , কারাকোরাম সুলেমান হিন্দুকুশ প্রভৃতি।
 মালভূমির মধ্যে রয়েছে পামির মালভূমি ডেকানট্রাপ মালভূমি আরবের মালভূমি  ইন্দোচীন মালভূমি প্রভৃতি আর সমভূমির মধ্যে রয়েছে গাঙ্গেয় বদ্বীপ সমভূমি ইয়াংসিকিয়াং সমভূমি, সাইবেরিয়া সমভূমি মেসোপটেমিয়া সমভূমি প্রভৃতি।

আমরা পাহাড় পর্বত মালভূমি নাম শুনলাম এবং এই পাহাড় পর্বত মালভূমি থেকে সৃষ্টি হয় বেশিরভাগ নদী
এশিয়া মহাদেশের নদনদীগুলির প্রবাহ অনুসারে আমরা তিন ভাগে ভাগ করতে পারি একটা হচ্ছে উত্তরদিক থেকে প্রবাহিত নদী আরেকটি হচ্ছে দক্ষিণ দিক থেকে প্রবাহিত নদী এবং সবশেষে পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত নদী । তোমরা ভিডিওতে এশিয়া মহাদেশের মানচিত্রের মধ্যে নদীগুলোর অবস্থান দেখে নাও।
এই মহাদেশের সবথেকে দীর্ঘতম নদীর নাম হচ্ছে ইয়াংসি কিয়াং । এই নদীটি কুয়েনলুন পর্বত এর দক্ষিনে  গলো ডান ডং পর্বত থেকে সৃষ্টি হয়েছে এবং চীন সাগরে এই নদী পতিত হয়েছে।

এবার আমরা জানবো এশিয়া মহাদেশের সম্পদ সম্পর্কে ।খনিজ সম্পদে পরিপূর্ণ এশিয়া মহাদেশ কারণ একদিকে যেমন এখানে আরব দেশগুলোতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ তেল পাওয়া যায় তেমনি ভারত এবং চীনে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং আকরিক লোহা ও কয়লা ।
এশিয়ার খনিজ তেল উৎপাদক অঞ্চল গুলো হল সৌদি আরব ইরান ইরাক কুয়েত সংযুক্ত আরব আমিরশাহী প্রভৃতি এবং সৌদি আরবের ঘাওয়ার বিশ্বের বৃহত্তম খনিজ তেল উত্তোলন কেন্দ্র এবং সাফানিয়া বিশ্বের বৃহত্তম সামুদ্রিক তৈলখনি
এশিয়া মহাদেশ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ সেইজন্য এশিয়ার কয়েকটি দেশে বিখ্যাত বিখ্যাত শিল্পাঞ্চল সৃষ্টি হয়েছে যেমন ধরো জাপানের টোকিও ইয়াকোহামা শিল্পাঞ্চল।

এই ব্লগে এশিয়ার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করলাম পরবর্তীতে এই বিষয়গুলিকে নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করব।

আশাকরি ওপরের আমার এই ব্লগ টি পড়ে তোমরা এশিয়া মহাদেশ সম্পর্কে কিছুটা বুঝতে পেরেছ এরপরে তোমরা বইটা বেশ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ো তারপরে
নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।

1) এশিয়া পৃথিবীর কততম বৃহত্তম মহাদেশ ?
2) এশিয়া মহাদেশে মোট দেশের সংখ্যা কয়টি ?
3) পৃথিবীর সর্ববৃহৎ জনবহুল দেশ টির নাম কি?
4) নিরক্ষীয় বনভূমি এশিয়ার কোন কোন অঞ্চলে দেখা যায়?
5) ভারতবর্ষ এশিয়ার কোন জলবায়ুর অন্তর্গত ?
6) এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবথেকে বেশি কোন দেশে রয়েছে?
7)এশিয়ার বৃহত্তম শহরের নাম কি?
8)এশিয়ায় কোন কোন ধর্মাবলম্বী মানুষেরা বসবাস করেন?
9) এশিয়ার দীর্ঘতম নদীর নাম কি?
10) এশিয়ার দীর্ঘতম মরুভূমি কোন দেশে অবস্থিত?
11) এশিয়ার কোন নদী সবথেকে বেশি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
12) নিরক্ষীয় বনভূমির উদ্ভিদ গুলি কি কি কাজে ব্যবহৃত হয়?
13) জাপান এশিয়া মহাদেশের কোন দিকে অবস্থিত?
14) ইউরোপ ও এশিয়া কে বিভক্ত করেছে কোন নদী?
15) এশিয়াকে চরম বৈচিত্রের মহাদেশ বলা হয় কেন তার স্বপক্ষে পাঁচটি যুক্তি দেখাও।
16) নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে জন্মায় ( চিরহরিৎ কাঁটাঝোপ পর্ণমোচী/ ম্যানগ্রোভ অরণ্য) ।
17) চিন সভ্যতার আঁতুড়ঘর কাকে বলে?
18) ল্যাভেন্ডার ও রোজমেরি জাতীয় উদ্ভিদ কোন জলবায়ুতে জন্মায়?
19) এশিয়ার দক্ষিণের প্রাচীন মালভূমি গুলির নাম লেখ।
20) স্বর্ণ রেনুর নদী বলে (ইয়াংসিকিয়া/ ইনিসি/ হোয়াংহো )নদীকে।
21) পামির গ্রন্থি থেকে নির্গত দুটি পর্বতের নাম লেখ।
22) এশিয়ার উত্তর বাহিনী নদী গুলি বন্যা প্রবণ কেন?
23) বিশ্বের বৃহত্তম সামুদ্রিক তৈলখনি________।
24) ওপেক এর প্রধান উদ্দেশ্য কি?
25) তিব্বত মালভূমি কোন কোন পর্বতের মধ্যে অবস্থিত?
26) এশিয়ার সরলবর্গীয় বনভূমির অপর নাম কি?
27) তুন্দ্রা জলবায়ু স্বাভাবিক উদ্ভিদ হল (ম্যাপেল / উইলো /লাইকেন)।
28) ইয়াংসিকিয়াং অববাহিকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কারণ গুলি কি কি?
29) এশিয়ার একটি অন্তর্বাহিনী নদীর নাম লেখ?
30) কোন কোন নদীর মিলিত প্রবাহের নাম শাত-ইল-আরব?
31) দেশ প্রদেশকে চীনের ধানের গোলা বলা হয়?
32) এশিয়ার সর্বাধিক বৃষ্টিবহুল স্থান কোনটি?
33) চীন দেশে জলবায়ুতে_______ গাছ বেশি চোখে পড়ে।
34) এশিয়া মহাদেশের জলবায়ু বৈচিত্রের তিনটি কারণ লেখ।
35) এশিয়া শীতকালীন বৃষ্টিপাত যুক্ত একটি দেশ হলো সৌদি আরব /সিরিয়া/ইরান/ থাইল্যান্ড।

করোনো সম্পর্কিত লেখা: সখা মায়া কারে কয় ?

সখা মায়া কারে কয় ?

সে কি কেবলই মিথ্যে ভয়।

আচ্ছা আমাদের মায়া কত রকমের হতে পারে?

এই পৃথিবীতে সবই মায়া।  আমি যে লিখছি এটাও মায়া। আর আমরা কেবল এর নিমিত্ত মাত্র !

সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডই মায়া।

তবে ইদানিং কালে এই মায়া খুবই মায়ায়িত করে চলেছে। আবার তা যদি হয় এই ২১ দিনের লকডাউন। 

অনেকেই হয়তো বলবেন আবার কুমিরের গল্প।

দেখুন এই ২১ দিনে কিছু মানুষ সত‍্যিই মায়ায়িত হয়েছে।

যেমন আলু পটলের মায়া ।

কচি লাউ আর চিংড়ির মায়া।

বাজার থেকে কেনা জ্যান্ত মাছের মায়া।

মেয়ের বাড়িতে সজনে ডাটা পাঠানোর মায়া।

সকাল সন্ধ্যে চা খাওয়ার মায়া ।

সন্ধ্যেবেলায় বাবলুর বাংলার মায়া।

চ্যাটাই পেতে তাস খেলার মায়া।

কিছু সমাজসেবা করেই সেলফি তোলার মায়া।

ব্যাংকে পাসবুক আপডেট করার মায়া।

একাউন্টে সরকার থেকে পাঠানো ৫০০ টাকার মায়া।

সবশেষে ,করোনার অনুভূতি পাওয়ার মায়া( জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী)

তবে আজকে আমি একঘেয়েমী মোদী ও মমতার ঘোষণা সম্পর্কে কিছু বলবো না। 

কারণ এরা পূজনীয় ব্যক্তিত্ব। এদের উপরে তোলা থাক।

এই  সম্পকীত লেখাটি আমার কমেন্টস  সেকশনে রয়েছে পারলে একবার পড়ে নেবেন।


আলু পটল টাটকা মাছের কথাও আজ বরং থাক ।এ নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে তারথেকে ফেকু ছোড়াছুড়ি হয়েছে আরও বেশি।


আজকে ৮ ই এপ্রিল। আজ সকাল বেলায় যখন আমি লিখতে বসেছি তখন ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে। সারাবিশ্বে ১৫ লক্ষ। ভারতের মৃতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১৭০ । আর সারা বিশ্বে ৮৪ হাজার। জানি এর থেকে ঘন ঘন আপডেট আপনি পাচ্ছেন। সংখ্যার কমবেশি থাকতে পারে। যদি গড় হিসাব ধরি ভারতবর্ষে প্রতিদিন গড় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাড়ে ৪৫০। আর মাত্র ৮ দিন লকডাউন বাকি । লকডাউনের ২১ তম দিনে এই সংখ্যাটা পৌঁছাবে ১০০০০ বা তার থেকে আরও বেশি। আমার প্রিয় ভারতবর্ষ সারাবিশ্ব থেকে কিন্তু আলাদা নয় । সারা বিশ্বে যেভাবে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে তার মধ্যে যে কোন একটি দেশকে যদি আপনি মডেল হিসেবে ধরেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন আমাদের আরো কতোটা সচেতন হওয়া দরকার। যদি আপনি আমেরিকাকে মডেল হিসেবে ধরেন তাহলে এপ্রিল মাসের  শেষে এই সংখ্যাটা আমাদের দাঁড়াবে ৫ লাখ।

 আর যদি ফ্রান্স-জার্মানিকে মডেল হিসাবে মনে করেন তাহলে সংখ্যাটা দাঁড়াবে ১২৫০০০। এই সংখ্যাগুলো যদি শতাংশ হিসেবে ভাবেন তাহলে কোথাও ২০০০ শতাংশ আবার  কোথাও ৮০০০ শতাংশ।

 এই দেশগুলোকে মডেল করবেন নাকি মডেল হিসাবে অনুসরণ করবেন এশিয়ারই আর একটি দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে। তাদের বৃদ্ধির হার মাত্র ১৩০ শতাংশ। এটা তখনই সম্ভব যখন আপনি সচেতন হবেন। 

আর এই সচেতনতার একমাত্র পরীক্ষা সোশ্যাল ডিসটান্সিং   এবং ফলাফলও সোশ্যাল ডিসটান্সিং।

আর এর জন্য কোন পয়সা লাগে না,  লাগে না কোন ওষুধ।

তবু আমাদের মায়া কিছুতেই কাটছে না!

আমি যখন বাড়ি থেকে বের হয় তখন আমার বউয়ের দুটি চোখ ছল ছল করে ওঠে। মা তার ইষ্ট দেবতাকে স্মরণ করে যাতে আমার শরীরের করোনার নজর না পরে। আমার পাঁচ বছরের ছোট্ট ছেলেটা হাত টেনে ধরে বলে বাবা আজ তুমি যেওনা।


 কারণ এই পরিস্থিতিতে আমিও একনিষ্ঠ সৈনিক। তবে সেটা ফুটবলের গোলকিপারের মত।

আমাকে প্রতিদিনই বাড়ি থেকে বের হতে হয়। মিশতে হয় কমপক্ষে ১০০ থেকে ২০০ মানুষের সঙ্গে।

প্রতিদিন আমার বন্ধুরা আমার সহকর্মীরা ফোন করে জিজ্ঞেস করে কিরে ঠিক আছিস তো?

সবকিছু মেইনটেন্স করছিস তো?

থাক নিজের কথা। 

আর মাত্র ১৫ দিন ।তার পরে হয়তো অনেক কিছুই পাল্টে যাবে। অনেক হিসাব কিতাব, মায়া মমতা।

রাস্তাঘাট থাকবে। থাকবে বাড়ি ঘর। ব্যাংক, অফিস, স্কুল, হসপিটাল সবই থাকবে আগের মতই । শুধু থাকবে না কিছু মানুষ যারা খুব প্রিয়।

এবার হয়তো আপনার চোখের কোনায় একটুকু জল ছল ছল করছে! নাকি ভয় করছে ? সামলে নিন । 

ভরসা রাখুন, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলুন। ঘরে থাকুন।

এবার কিছু আশার কথা বলি।

ভারতে এখনো পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪৭৪ জন রোগী এবং সুস্থ হওয়ার পথে আরও হাজার খানেক । বেশিরভাগ মানুষই সুস্থ হবেন। সুস্থ হবে আমাদের পৃথিবীও।

লেখা শেষ করার আগে আরও কয়েকটি মজার কথা শোনায় ।

এই করোনার আবির্ভাবে কিছু মানুষ বেশ কিছু জিনিস শিখেছে। যেমন কিভাবে নিজেকে পরিষ্কার রাখতে হয়।  হাত কিভাবে কুড়ি সেকেন্ড ধরে কচলে কচলে ধুতে হয়। হাঁচলে কাষলে হাতের বদলের হাতের কনুই দিয়ে কিভাবে তাকে ম্যানেজ করতে হয়। মুখে মাস্ক ও বাড়িতে তা তৈরি করার পদ্ধতি।

 এছাড়া কিছু ভাষা যেমন স্যানিটাইজার ,হ্যান্ডওয়াশ , হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন ,আইসোলেশন কোয়ারেন্টাইন।

বাড়িতে কেউ আসলে মিষ্টি করে তাকে বলে দেওয়া 

বাড়ির ভিতরে ঢুকবেন না একটু দূর থেকে কথা বলুন ,

জানেন তো চারিদিকে কি ঘটছে!

আর যেটা এক্কেবারে পেটেন্ট পেয়ে গেল সেটা হলো সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং।

যেটা ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় ফলাফল হিসাবে আগে থেকেই পটভূমি তৈরি ছিল।

এবং অবশ্যই যে গানটি হিট করে গেল সেটি হল

হেমন্ত মুখার্জীর--

তারে বলে দিও সে যেন আসে না

আমার ঘরে তারে বলে দিও।



Thursday, April 30, 2020

সম্পদ কাকে বলে ?

সম্পদ 
Resource
নবম শ্রেণী
Part -1



What is the Resources ?

আমার প্রিয় ছাত্র ছাত্রীরা আশা করি তোমারা ভালো আছো ।
আজকে পড়ানোর বিষয় সম্পদ বা রিসোর্স। 
আর আমি তোমাদের সঙ্গে রয়েছি রাজেশ স‍্যার 
তোমরা ইতিমধ্যেই সম্পদ  সম্পর্কে স্যার-ম্যাডামদের কাছ থেকে ক্লাসে কিছু ছশিখেছো । আশা করি তোমরা এই চ্যাপ্টারটা সম্পর্কে বুঝতেও পেরেছ এবং বইতে খুঁটিয়ে পড়ে তোমরা আরো অনেক অনেক তথ্য এবং জ্ঞান অর্জন করেছো।
 আজকে আমি এই চ্যাপ্টারটা সম্পর্কে আরেকটু সংক্ষিপ্ত আকারে তোমাদের কাছে ব‍্যাখ‍্য দেবো। যাতে তোমরা আরো বেশি করে এই সম্পদ বিষয় সম্পর্কে বুঝতে পারো যদিও সম্পদ বিষয়টা খুব ইন্টারেস্টিং  এবং এই ভিডিওটা দেখার পরে আশা করি আরো কিছু তথ‍্য তোমরা জানবে ।
এবার চলে আসি আমাদের মূল বিষয়ে।

 দেখো আমার কাছে কয়েকটা জিনিস রয়েছে যার মধ্যে একটা ঘড়ি, একটা পুরনো পেনসিল ব্যাটারি, একটা খারাপ হয়ে যাওয়া  মোবাইল ও ১০০ টাকা ।
 এগুলোর মধ্যে কোনগুলো সম্পদ এবং কোনটা সম্পদ নয় তোমরা অবশ্যই বলতে পারবে । 
তোমরা ভিডিওটা থামিয়ে  কমেন্ট সেকশনে উত্তরটা লেখ ।

 তাহলে সম্পদ মানে কি ?
যা আমাদের কাজে লাগে।
যা আমাদের চাহিদা মেটায় ।
তাকেই বলে হয় সম্পদ ।
আর যদি আমি ভূগোলের ভাষায় বলি ,

তাহলে বলতে হয় সালটা ছিল  1951।একটা বই প্রকাশিত হয় । নাম ছিল ওয়ার্ল্ড রিসোর্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ । এই বইতে জিমারম‍্যান নামে এক বিজ্ঞানী  সম্পদ সম্পর্কে বলেছিলেন ----
সম্পদ কোন পদার্থ নয় । কোন বস্তু বা পদার্থ যে কাজ করে বা সেই বস্তুর মধ্যে  যে কাজ করার শক্তি রয়েছে তাই হল সম্পদ।
অর্থাৎ সম্পদ হল পদার্থের সেই কাম‍্য শক্তি যা মানুষের অভাব মোচন করে এবং চাহিদাও মেটায় ।
এখানে বস্তু বা পদার্থ নয় ।
বলতে বোঝায় ?
যেমন কয়লা একটি বস্তু এবং সম্পদ ।
কিন্তু সূর্যালোক সম্পদের অন্তর্ভুক্ত হলেও  সূর্যালোক কিন্তু কোন পদার্থ নয় । এই সাধরন পার্থক্যটা  তোমাদের বুঝতে হবে ।
এখান থেকে তোমরা আরেকটা তথ‍্য জেনে নাও সেটা হচ্ছে বিজ্ঞানী জিমারম্যান জার্মানির একজন বিখ্যাত সম্পদ বিশারদ ।তোমাদের কিছু তথ্য জানার এই ছবিটি শেয়ার করলাম ।

দেখো সম্পদ সম্পর্কে এরকম অনেক সংজ্ঞা রয়েছে ।যেগুলো তোমাদের অবশ্যই জানতে হবে ।যেমন 
 বসুন্ধরা সম্মেলন বা আরথ সামিটে সম্পদের সংজ্ঞা কে নতুন ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।
ওই সম্লেলনের বক্তব্য ছিল
পরিবেশের যা কিছু বস্তু তার কার্যকারিতার মাধ্যমে মানুষের চাহিদা পূরণের সঙ্গে সঙ্গে জীবমন্ডলের সংরক্ষণকেও সুনিশ্চিত করে তাকেই বলা হবে সম্পদ ।
তোমাদের মধ্যে নিশ্চয়ই নতুন একটা প্রশ্ন মনের ভিতর উঁকি দিচ্ছে।
সেটা হলো বসুন্ধরা সম্মেলন কি  ? 

বসুন্ধরা সম্মেলন হল  ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে 1992 সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বিভিন্ন দেশের 178 জন প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত একটা পরিবেশ সম্পর্কিত  সম্মেলন ।
ম‍্যাপের মধ্যে একবার দেখে নাও এই শহরটা কোথায় ?
এই হল আমাদের প্রিয় ভারতবর্ষ এখান থেকে পশ্চিমে দক্ষিন আমেরিকা মহাদেশ ।এই মহাদেশের পৃর্ব দিকে ব্রাজিল ও ব্রাজিলের একেবারে পৃর্ব উপকূলে এই রিও ডি জেনিরো শহর ।
এখানে তোমাদের আরেকটা জিনিস খুব গুরুত্ব সহকারে বুঝতে হবে সেটা হচ্ছে জিমারম্যান যে সংজ্ঞা দিয়েছিলেন এবং বসুন্ধরা সম্মেলন এর সংজ্ঞা তার মধ্যে কিন্তু একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে পার্থক্যটা তোমরা আশা করি  বুঝতেও পেরেছো তাই তো ?
পার্থক্যটা হল এর মধ্যে জীবমন্ডলের সংরক্ষণের কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে।
 অর্থাৎ বর্তমান যুগে সম্পদ উত্তোলন করতে গিয়ে আমরা এমন কিছু কাজ করব না যাতে আমাদের পরিবেশে যে জীব বৈচিত্র আছে তার সংরক্ষন ব্যাহত হয় এবং পরিবেশের ক্ষতি হয় ।
যেমন উড়িষ্যার পস্কোতে যে লৌহ খনি রয়েছে প্রাথমিকভাবে পরিবেশের অবনমন এর কারণে এখান থেকে লৌহ উত্তোলন বন্ধ করা হয়েছিল অর্থাৎ সম্পদ উত্তোলন করতে গিয়ে আমরা এমন কোন কাজ করব না যাতে পরিবেশের ক্ষতি বা অবনমন ঘটে।
 তাহলে আশা করি যে সম্পদের সংজ্ঞা কিরকম হবে তা বুঝতে পেরছো ।

 এবার আমরা জানব যে সম্পদের উদাহরণ গুলো কি ? দেখো পরিবেশের অনেক কিছুই পড়ে রয়েছে যেগুলোকে আমরা সম্পদ বলতে পারি যেমন ধরো কয়লা খনিজ তেল সূর্য এমনকি তোমার বাড়িঘর রাস্তাঘাট স্কুল টাকা-পয়সা প্রভৃতিও কিন্তু সম্পদ ।
 তাহলে আমারা সম্পদ সম্পর্কে একটা সংক্ষিপ্ত  ধারণা করতে পারলাম তো ?
এবার তাহলে জেনে নেওয়া যাক কি কি বৈশিষ্ট্য থাকলে তবেই তাকে বলা হবে সম্পদ ?
 প্রথমত তাকে মানুষের প্রয়োজনে লাগতে হবে এবং তার চাহিদা মেটানোর ক্ষমতা থাকতে হবে ।
 দ্বিতীয়ত এর কার্যকারিতা ক্ষমতা থাকবে অর্থাৎ এর অভাব মোচনের ক্ষমতাও থাকতে হবে ।
 তৃতীয়ত এর যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা থাকবে।
আর  চতুর্থত এটা সহজে যাতে আহরণ করা যায় সেই বৈশিষ্ট্য যেন থাকে ।
যেমন ধরো কয়লা পশ্চিমবঙ্গের রানীগঞ্জে পাওয়া যায় ।আবার হিমালয় পর্বতের নিচেও প্রচুর কয়লার সঞ্চয় রয়েছে কিন্তু রাণীগঞ্জ থেকে সহজেই কয়লা উত্তোলন করা যায় কিন্তু হিমালয় থেকে কয়লা আহরণ করা কষ্টসাধ্য এবং তা উত্তোলন করা গেলেও তার খরচ হবে বহুগুন বেশি।
 সুতরাং হিমালয় পর্বত এর পরিপ্রেক্ষিতে কিন্তু কয়লা সম্পদ নয় কিন্তু রানীগঞ্জের কয়লা অবশ্যই অবশ্যই সম্পদ।
এবার আসি প্রথমে করা সেই প্রশ্নটা ।
আশা করি যে পুরনো মোবাইলটা রয়েছে সেটাকে তুমি তোমরা সম্পদ বলবে না কারণটা হল এর কোন কার্যকারিতা নেই। 
কিন্তু আমার হাতে যে টাকাটা রয়েছে সেটা কিন্তু সম্পদ কেন না এর গুরুত্ব বা কার্যকরীতা রয়েছে। 
টাকাটা দিয়ে আমি বাজার করতে পারি এবং এই টাকাটা দিয়ে আরও আমার কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারি তাই টাকাটা সম্পদ কিন্তু পুরনো খারাপ হয়ে যাওয়া মোবাইলটা কিন্তু কখনোই সম্পদ নয়।
দেখো পরিবেশে এমনই কিছু বস্তু পড়ে আছে যেগুলো আমাদের এখন হয়তো কাজে লাগছে না কিন্তু ভবিষ্যতে এগুলো  সম্পদ হলেও হতে পারে ।

 দেখো এর থেকেও আমরা আর একটা নতুন  একটা তথ্য জেনে নেব
সেটা হল নিরপেক্ষ সম্পদ কি?
 নিরপেক্ষ সম্পদ হলো প্রকৃতির মধ্যে যে সকল পদার্থ মানুষ ব্যবহার করতে পারে না তা হলো নিরপেক্ষ সম্পদ যেমন ধরো আন্টার্টিকার ভেতরে জমে থাকা খনিজ পদার্থ একপ্রকার নিরপেক্ষ সম্পদ ।
 তাহলে আমরা আজকে জানতে পারলাম সম্পদ কি বা কাকে বলে ? সম্পদের বিভিন্ন সংজ্ঞা সম্পদের বৈশিষ্ট্য । এবং নিরপেক্ষ সম্পদ কাকে বলে ?
 আমি ভিডিওটা আর দীর্ঘায়িত করব না । 
পরবর্তী ভিডিওতে আমি সম্পদ সৃষ্টির উপাদান ,সম্পদের কার্যকারিতার তত্ত্ব  এবং সম্পদের শ্রেণীবিভাগ সম্পর্কে আবার এরকমই ভাবেই পডেমোষ্টেশান দেওয়ার চেষ্টা করব।
 তোমরা ভালো থেকো ।আরও পড়াশোনা করো ।
 এবার  আমি কিছু প্রশ্ন দেবো সেই প্রশ্নগুলোর তোমরা বাড়িতে বসে প্র্যাকটিস্ করবে এবং উত্তর লিখে রাখবে। 
গুডবাই । take care ..




ক.সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো
১ ) জিমারম্যানের ওয়ার্ল্ড রিসোর্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ বইটি  প্রকাশিত হয়েছিল
(a)1951 (b)1952 (c)1953
2) বসুন্ধরা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল 
(a)1992 (b)1993 (c)1994 (d)1995
3) জিমারম্যান ছিলেন একজন 
(a)অর্থনীতিবিদ (b) সম্পদবিশরদ (c)রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব (d) সমাজকর্মী ।

খ.ঠিক ভুল নির্ণয় করো।
4) মানুষের কাজ করার শক্তিকেই সম্পদ বলে।
৫) সহজে সম্পদ আহরণ করা সম্পদের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
৬) কোন বস্তুর কার্যকারিতা কি সম্পদ বলে ।
7) সম্পদ হতে গেলে তাকে অবশ্যই কোন পদার্থ হতে হবে ।

গ. নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।
8) জিমারম্যান দ্বারা সম্পদের সংজ্ঞা দাও।
9) বসুন্ধরা সম্মেলন কোন বিষয়টির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল ?
10) সম্পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলো কি কি ?
11) সম্পদের কয়েকটি উদাহরণ দাও।
12) সম্পদ আহরণ করতে গিয়ে আমরা কোন কোন বিষয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেব?
13) সূর্যালোকে আমরা কেন সম্পদ বলি?
14) আর্থ  সামিট ব্রাজিলের কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ?
15) আন্টার্টিকা মহাদেশ যে বিপুল পরিমাণ সম্পদ সঞ্চিত রয়েছে তাকে আমরা কি সম্পদ বলবো?
16) অন্যান্য সম্পদের থেকে বসুন্ধরা সম্মেলনের  সম্পদের সংজ্ঞা কেন আলাদা ?
17) হিমালয় পর্বতের নিচে সঞ্চিত কয়লা কে কেন আমরা সম্পদ বলবো না?
18) জিমারম্যান দ্বারা লিখিত একটি বইয়ের নাম লেখ।


শিক্ষক দিবস

শিক্ষক দিবস Teacher's Day আজকে শিক্ষক দিবস। আজকেই আমাদের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণানের জন্মদিন। রাষ্ট্রপতি হলেও তিনি একজন ...